বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পঞ্চগড় পৌরসভায় সৌরবাতি স্থাপনে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক শিশুকে ধ-র্ষণচেষ্টা: ইমাম বললেন, শয়-তানের ধোঁ-কায় পড়ে এটা করেছি কারাগারে বসেই এসএসসি পরীক্ষা দিল এক শিক্ষার্থী সিজারের তিন দিন পরই এসএসসি পরীক্ষার হলে কুড়িগ্রামের হাওয়া আ.লীগকে সরাতে ১৬ বছর লেগেছে, আপনাদের সরাতে ১৬ দিনও লাগবে না: এটিএম আজহার বুড়িমারী স্থলবন্দরে চার দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ  কুমিল্লা লাকসামে সিনথিয়া আক্তার নামে স্কুলছাএী আত্মহত্যা করেছেন গাইবান্ধায় এসকেএস স্কুল এন্ড কলেজে মাদকবিরোধী সচেতনতায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে সুমন হত্যার প্রতিবা’দে ফুঁস’ছে এলাকাবাসী, খু’নিদের ফাঁ’সির দাবিতে মানববন্ধন ‎ পঞ্চগড়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্য আটক, দেশীয় অস্ত্র ও মাইক্রোবাস জব্দ
শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেরি, শিক্ষকের থাপ্পড়ে নাক ফাটল শিক্ষার্থীর

শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেরি, শিক্ষকের থাপ্পড়ে নাক ফাটল শিক্ষার্থীর

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার চাটমোহর উপজেলায় সোয়াদ হোসেন নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর নাক ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আঘাতে তার নাক ফেটে যায় ও রক্তক্ষরণ হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকালে উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের কানাইয়ের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনার পর তিনি দ্রুত বিদ্যালয় থেকে চলে যান। আহত সোয়াদ কানাইয়ের চর গ্রামের মুকুল হোসেনের ছেলে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্লাস চলাকালে শিক্ষক হাফিজুর রহমানের অনুমতি নিয়ে বাইরে যায় সোয়াদ। ফিরতে দেরি হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে ঢোকার সময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চড় মারেন হাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় সোয়াদের নাকে আঘাত লাগে ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

শিশুটির বাবা মুকুল হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক লেখাপড়ার জন্য শাসন করতেই পারেন। কিন্তু এমনভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি অফিসে ছিলাম না। পরে খবর পেয়ে ক্লাসে গিয়ে দেখি সোয়াদ বাড়ি চলে গেছে। পরে আমি তার বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শিশুটি ক্লাস চলাকালে বারবার বাইরে যাচ্ছিল। কয়েকবার ডাকার পরও সে বাইরে যাওয়া অব্যাহত রাখে। ক্লাসে ঢোকার সময় আমি চড় মারতে গেলে সেটা নাকে লাগে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com